জামায়াতে ইসলামীর জুলাই এখনো শেষ হয়নি প্রদর্শনীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ থাকলেও জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার উল্লেখ না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে। এ প্রসঙ্গে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রদর্শনীতে মূলত কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি বলেই তার ভাষণ প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নির্মোহ ও বাস্তবভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উনি অটোক্রেট শাসক ছিলেন না। যারা কর্তৃত্ববাদী ও আগ্রাসী ছিলেন, তাদেরই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে যারা মানুষের মুক্তি ও ন্যায্যতার জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের ভূমিকাও প্রদর্শনীর ডকুমেন্টারিতে তুলে ধরা হয়েছে।’
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে। এতে অনেকে জীবন দিয়েছেন, আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, জেল খেটেছেন এবং মামলা মোকাবিলা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে।
তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটে।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নির্মোহ ও বাস্তবভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উনি অটোক্রেট শাসক ছিলেন না। যারা কর্তৃত্ববাদী ও আগ্রাসী ছিলেন, তাদেরই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে যারা মানুষের মুক্তি ও ন্যায্যতার জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের ভূমিকাও প্রদর্শনীর ডকুমেন্টারিতে তুলে ধরা হয়েছে।’
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে। এতে অনেকে জীবন দিয়েছেন, আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, জেল খেটেছেন এবং মামলা মোকাবিলা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে।
তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটে।