নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যা মামলায় আরও এক যুবককে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৪। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এ মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করা হলো।
গ্রেফতার যুবকের নাম আশিকুর রহমান ওরফে প্রাঙ্গণ (২৩)। তিনি দুর্গাপুর পৌরসভার বাগিচাপাড়া এলাকার শাহিন মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশিকুর শামীম আহমেদ ওরফে ‘শুটার’ শামীমের চাচাতো বোনের ছেলে এবং তার সহযোগী।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্গাপুর থানার এসআই আসাদুল ইসলাম বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জানান, এসআরবি–১৪-এর একটি দল আশিকুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে। তাকে দুর্গাপুরে নিয়ে আসতে ময়মনসিংহে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনের পরিচয় সম্পর্কে পুলিশ তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমদ। তিনি বলেন, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় পুরোনো সিনেমা হলের পাশ থেকে সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্ব (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আলোচিত তাজুল ইসলামের (৩৮) সহযোগী হিসেবে পরিচিত তিনি।
সাজিবুলকে গত সোমবার আদালতে হাজির করা হলে তার এক দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে মঙ্গলবার আদালত তাঁর আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের তেলুনজিয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ির কাছের একটি দোকানের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী, তাকে ছয়টি গুলি করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে মঙ্গলবার নেত্রকোনার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে কথা বলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান। তিনি জানান, আসামিদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে পুলিশ অনেকটাই এগিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত তাদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
গ্রেফতার যুবকের নাম আশিকুর রহমান ওরফে প্রাঙ্গণ (২৩)। তিনি দুর্গাপুর পৌরসভার বাগিচাপাড়া এলাকার শাহিন মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশিকুর শামীম আহমেদ ওরফে ‘শুটার’ শামীমের চাচাতো বোনের ছেলে এবং তার সহযোগী।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্গাপুর থানার এসআই আসাদুল ইসলাম বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জানান, এসআরবি–১৪-এর একটি দল আশিকুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে। তাকে দুর্গাপুরে নিয়ে আসতে ময়মনসিংহে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনের পরিচয় সম্পর্কে পুলিশ তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমদ। তিনি বলেন, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় পুরোনো সিনেমা হলের পাশ থেকে সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্ব (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আলোচিত তাজুল ইসলামের (৩৮) সহযোগী হিসেবে পরিচিত তিনি।
সাজিবুলকে গত সোমবার আদালতে হাজির করা হলে তার এক দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে মঙ্গলবার আদালত তাঁর আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের তেলুনজিয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ির কাছের একটি দোকানের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী, তাকে ছয়টি গুলি করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে মঙ্গলবার নেত্রকোনার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে কথা বলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান। তিনি জানান, আসামিদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে পুলিশ অনেকটাই এগিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত তাদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।